ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের চারটি আসনে ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ১ জন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ৪ জন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে ৩ জন, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
শনিবার দুপুরে দুই রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচাই-বাচাই শেষে এসব প্রার্থী মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. হেদায়েত উল্লাহ। তিনি জানান, ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এদিন চট্টগ্রাম-৪, ৫, ৬, ৭ ও ১২ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাচাই শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫টি আসনে মোট ৪৫ জন প্রার্থী ও তাদের প্রস্তাবক, সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। শুনানী শেষে ৪৫ জনের মধ্যে ৩৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর ১২ জনের অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-৬ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে কোন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি বলে জানান তিনি।
যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হলো:
চট্টগ্রাম-৪ আসনে ১ শতাংশ ভোটারের সঠিকতা প্রতিয়মান না হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুর রশিদ, চট্টগ্রাম-৫ আসনে দলীয় মনোনয়ন সঠিক না হওয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ১ শতাংশ ভোটারের দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়া সঠিক প্রমাণিত না হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেত্রী শাকিলা ফারজানা, বিএনপি নেতা এস এম ফজলুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদের মনোননয়পত্র অবৈধ ঘোষণা করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে কারোরই মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়নি।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে সমর্থনকারীর স্বাক্ষর না থাকা, আয়কর নথির তথ্য না থাকা, ফরম-২০ ও ফরম ২১ তথ্য না থাকার কারণে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান, দলের সঠিক মনোনয়ন ও অঙ্গিকারনামা দাখিল না করায় গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. বেলাল উদ্দিন ও দলের মনোনয়ন সঠিক না থাকায় বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির প্রমোদ বরন বড়ুয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
এদিকে চট্টগ্রা-১২ (পটিয়া) আসনে চারজনের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে। এদের মধ্যে ঋণখেলাপীর কারণে এলডিপি’র এম.এয়াকুব আলী,দলের মনোনয়ন সঠিক না থাকায় জাতীয় পার্টির সিরাজুল ইসলাম, ১ শতাংশ ভোটারের তথ্য সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ সাদাত আহমেদ ও মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়।