বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম-৪ আসনে প্রার্থী আসলাম চৌধুরী বলেছেন, আমার নির্বাচনী এলাকা সীতাকুণ্ড উপজেলা শিল্প অধুষ্যিত হলেও এখানকার শিপইয়ার্ড (জাহাজ ভাঙা শিল্প) জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়াও এই উপজেলার ছোট-বড় অসংখ্য পর্যটন সম্পট খুলে দিতে পারে আরেক সম্ভবনার দ্বার। ফরে উপজেলাটি জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠতে পারে। সাগরবেষ্টিত বাঁশবাড়ীয়া সমুদ্র সৈকতও পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় একটি জনপদ। পরিকল্পিতভাবে পর্যটনখাতে উন্নয়ন করা গেলে বাঁশবাড়ীয়া নয় শুধু পুরো সীতাকুণ্ডের চিত্র বদলে যাবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে উপজেলার বাঁশবাড়ীয়ায় এবং বিকালে সোনাইছড়িতে নির্বাচনী গণসংযোগকালে আসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, পর্যটনখাত হতে পারে ব্লু ইকোনমির অন্যতম অনুষঙ্গ। অপরদিকে সোনাইছড়িতে অবস্থিত শীপ ইয়ার্ড এবং কলকারখানা সীতাকুণ্ড তথা দেশের অর্থনীতির প্রাণ। এই খাতে পরিবেশবান্ধব শিল্পনীতি বাস্তবায়ন করা গেলে সীতাকুণ্ড সারাদেশের উন্নয়নের নতুন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
আসলাম চৌধুরী বলেন, কর্মমুখর সীতাকুণ্ডই আমার প্রথম লক্ষ্য। এখানে শিল্পকারখানায় বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে বেকারত্ব দূরীকরণ খুব সহজ হবে। বেকারের সংখ্যা কমে গেলে এলাকায় অপকর্মও অনেকাংশে কমে যাবে। পর্যটকদের জন্য উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা আর নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা গেলে সীতাকুণ্ডেই পর্যটনখাতে বিপ্লব সাধিত হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক গাজী মোঃ সুজা উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ কমল কদর, সদস্য সচিব কাজী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক সালামত উল্ল্যাহ, আবুল বশর ভুইয়া, মনসুর মেম্বার, একরাম উল্ল্যাহ নয়ন, মিয়া মোহাম্মদ শাহজাহান, দিদারুল আলম, সালাহউদ্দিন, সেলিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন, বদর উদ্দিন, আলাউদ্দিন। এদিকে সোনাইছড়িতে গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক নুরুদ্দিন মোঃ জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যান, সদস্য সচিব গিয়াসুল মাহমুদ চৌধুরী তসলিম, উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য দিদারুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী, মোমিন উদ্দিন মিন্টু প্রমূখ।