
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আজীবন অকাতরে কাজ করে গেছেন এবং বিএনপি বর্তমানেও সেই ধারা অব্যাহত রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাকিলা ফারজানা।
রবিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীর আমানবাজারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও সাকিলা ফারজানার পিতা মরহুম ওয়াহিদুল আলমের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও মেজবানীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাকিলা ফারজানা এমপি বলেন, জিয়াউর রহমানের ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘১৯ দফা’ ছিল এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির মূল চালিকাশক্তি। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার সেই ১৯ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুগোপযোগী ‘৩১ দফা’ প্রণয়ন করেছেন এবং তা সফলভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকারের মাত্র ১১০ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন করা শুরু করেছেন।
তিনি আরও বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান জন্ম না নিলে আমাদের এই ভূখণ্ড স্বাধীন হতো না। তিনি সর্বদাই একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁর সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শী নেতৃত্ব এদেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়েছিল।”
নিজের পিতা, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম ওয়াহিদুল আলমের কথা স্মরণ করে সাকিলা ফারজানা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমার বাবা মরহুম ওয়াহিদুল আলম ছিলেন হাটহাজারীর মাটি ও মানুষের নেতা। এখানকার জনগণ তাঁকে বারবার ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন এবং অকৃত্রিম ভালোবাসা দিয়েছেন। আমি তাঁদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।” তিনি আগামী দিনেও হাটহাজারী এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নিজেকে নিয়োজিত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। এছাড়া হাটহাজারী উপজেলা ও জেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সভা শেষে মরহুম জিয়াউর রহমান ও ওয়াহিদুল আলমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং উপস্থিত সবায় মেজবানীতে অংশ নেন।











