
চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, এলাকার মানুষের জীবনকে সহজ করা এবং চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় ঝাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকা ৬০০ জন জেলে পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, আমি জানি আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারি আমাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন। আমি চাই আপনাদের জীবনটা যেন আরেকটু সহজ হয়। আপনাদের সন্তানরা যেন নিরাপদে স্কুলে যেতে পারে এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।
তিনি বলেন, এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য যেন না থাকে, সেজন্য সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে, তাহলে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে।
সংসদ সদস্য আরও বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঝাটকা সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত সময় জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন, যা ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক। এ কারণে জেলেদের সহায়তায় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, মৎস্যজীবীদের কষ্ট আমরা বুঝি। তাই সরকার তাদের খাদ্য সহায়তাসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে। ভবিষ্যতেও জেলেদের কল্যাণে কাজ অব্যাহত থাকবে।
এ সময় তিনি এলাকার রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
জেলা মৎস কর্মকর্তা সালমা বেগমের সভাপতিত্বে এবং জেলা মৎস কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন চৌধুরী সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান মাহমুদ,নগর বিএনপির সদস্য আবুল হাশেম, মোশারফ হোসেন ডিপ্টি, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া,জেসমিন খানম,
মন্দির কমিটির সভাপতি ডাক্তার ননী গোপাল, জেলে প্রতিনিধি খেলন দাস ও পূর্ণিমা রায় সহ মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন,স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, মৎস্যজীবী নেতা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।













