
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল ছলিমপুরের ঘটনায় উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক, সলিমপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন মেম্বারকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি মহল অযাচিতভাবে তাকে নিয়ে নানা মিথ্যা সংবাদ, ফেসবুক পোষ্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে। স্বার্থান্বেসী ওই মহলটি রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নষ্ট দীর্ঘ দিন ধরে এই অপপ্রচারে নেমেছে বলে রোকন উদ্দিনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।
রোববার সীতাকুণ্ডে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ আনেন উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ফজলুল করিম। তিনি বলেন, জঙ্গল ছলিমপুরে সন্ত্রাসী ইয়াছিন বাহিনীর হাতে আব্দুল মোত্তালেব ভূঁইয়্যা নামে র্যাবের একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। শুধু তাই নয় তার আগে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকরা ইয়াছিনের হামলার শিকার হন। এলাকাটিতে ইয়াছিন সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে আসছিল। সম্প্রতি অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে সেখানে যৌথ বাহিনী দেশের সবচেয়ে বড় অভিযান পরিচালনা করে।
তিনি আরও বলেন, ওই অভিযানে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রোকন উদ্দিন মেম্বারসহ এলাকার যুবদল কর্মীরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করে প্রশাসনকে। যাতে এলাকাটি সন্ত্রাসমুক্ত হয়। একইসাথে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলাম চৌধুরী প্রশাসনকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান। বর্তমানে ওই এলাকার মানুষ স্বস্তিতে নি:শ্বাস ফেলছে। কিন্তু দু:খের বিষয় যুবদল নেতা রোকন উদ্দিন মেম্বারের নাম জড়িয়ে কিছু মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে। যা উদ্দেশ্যে প্রণোদিত এবং সত্যকে আড়াল করে বানানো গল্প।
তিনি বলেন, যারা এই অভিযানে সর্ব্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে তাদের নামে দিয়েছে সীতাকুণ্ড থানা প্রশাসন। আমরা সীতাকুণ্ড উপজেলা যুবদল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।
উপজেলা যুবদলের সাবেক এই সভাপতি আরও বলেন, রোকন উদ্দিন মেম্বার বিগত সময়ে অনেক নির্যাতন-হামলা-মামলার শিকার। তিনি একজন দলের নিবেদিত প্রাণ। অতিতে ও বর্তমানে কখনও তিনি জঙ্গল সলিমপুরে অন্যায় কাজে জড়িত ছিলেন না। কেউ প্রমাণ দিতে পারলে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব। আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি সংসদ সদস্য আসলাম চৌধুরীকে জানিয়েছি। তিনি প্রশাসনের সাথে কথা বলেছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যুবদলের নেতারা ফ্যাসিবাদী সময়েও হামলা, মামলা, জেল, জুলুমের শিকার। এখনও তাদেরকে সন্ত্রাসী ট্যাগ দিয়ে নানা অপপ্রচার করে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হচ্ছে। মূলত আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা যুবদলের নেতাকর্মীদেরকে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।













