
রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি : রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামে একই জমির দুই পরিবারের মালিনাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। সেই জমি জোর পূর্ব দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠে
বোয়ালমারী গ্রামের মৃত সুরুজ্জামানের পুত্র মোজাফফর হোসেন এর বিরুদ্ধে। এনিয়ে উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে মালিকানা দাবি করে একে উপরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পতি দলিল অনুযায়ী এই জমির মালিক বোয়ালমারী গ্রামের মৃত মুনজিল হোসেন এর ছেলে সাইফুল ইসলাম ও তার পরিবারদের বলে দাবি করেন। উভয় পক্ষের দন্ডের কারনে জমিতে ফসল ফলাতে পারছেনা সাইফুল ইসলামের পরিবার।
উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভ‚মি) এর পক্ষ থেকে তদন্তের নির্দেশ দেন শৌলমারী ইউনিয়ন সহকারি ভুমি কর্মকর্তা তসিলদারকে। অভিযোগ ও বক্তব্য অনুযায়ী জানা গেছে, আদালতের ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তে¡ও গায়ের জোরে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র ও লাঠি সোটা দিযে ১০-১৫ জন লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে তারা জমি জবর দখলের চেষ্ঠা করে প্রতি নিয়ত। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাদি-বিবাদীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরের দিকে ১৮ মার্চ লাঠিয়াল বাহিনীকে ঘটনার দিন বাদি পক্ষের সাইফুল এর ভাতিজা বউ সুমি খাতুন(৩০) জোবর দখলে সময় বাধা দিতে গেলে মোজাফফর হোসেন পুত্র সোহেল রানা তাকে হত্যার উদ্দ্যেশে হাতুরি দিয়ে মাথার ডান পাশে আঘাত করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগাম সদর হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্থায় রয়েছে। এব্যাপরে বিবাদী মোজাফফর হোসেন এর সাথে মোবাইলে একাধিক বার কথা বলার চেষ্টা করের কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে জমির বাদি পক্ষ সাইফুল ইসলাম জানান, আমাদের পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি মালিক আমরা। এই জমি পূর্ব ৬০ বছর থেকে ভোগ দখল করে আসতেছি। কিন্তু মোজাফ্ধসঢ়;ফর হোসেন অবৈধ ভাবে আমাদের জমি জোবর দখলে চেষ্টা করছে। শৌলমারী ইউনিয়ন সহকারি ভ‚মি কর্মকর্তা রুহুলুল্লা জানা, সঠিক ভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। রৌমারী সহকারি কমিশনার(ভ‚মি) এবিএম সারোয়ার রাব্বী জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















