শমসের নগর কুলাউড়া সড়কের কাজের নেই কোন অগ্ৰগতি

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উপজেলার শমশেরনগর-কুলাউড়া সড়কের ধীরগতিতে চলমান উন্নয়ন কাজে শমশেরনগর বিমান বাহিনী ইউনিট সংলগ্ন রাস্তার নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিনিয়ত দেবে যাচ্ছে মালামাল বোঝাই করা ট্রাক। সড়ক ও জনপথের অধীনস্থ এই সড়কের আধা কিলোমিটার স্থানে পিচঢালা ভেঙ্গে ফেলার পর থেকে গত দেড়মাস যাবত স্থানটিতে প্রতিনিয়ত ট্রাক দেবে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। গত রোজ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টিতে আবারও মালবোঝাই ট্রাক দেবে যাওয়ায় সড়কের দু’পাশে যানবাহন আটকা পড়ে ও দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয় সাধারণ মানুষের বাড়ে ভোগান্তি। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙ্গাচুরা সড়কের দু’পাশে মাটির স্তুপ ফেলে রাখায় বৃষ্টির কারণে আরও দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বৃষ্টিপাতের কারণে পিচঢালা উঠানো সড়কটি আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। সড়কের শমশেরনগর বিমান বাহিনী ইউনিট সংলগ্ন রেলগেটের পূর্ব পাশে ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে কয়লাবাহী ট্রাকগুলো দেবে যাওয়ার পর যানবাহন আটকা পড়ছে প্রতিনিয়তো। জানা যায়, শমশেরনগর-কুলাউড়া সড়কের রেলগেট সংলগ্ন প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য কাজ পান সিলেটের ঠিকাদার জামিল ইকবাল। তিনি সড়কের ওই স্থান ভেঙ্গে পিচঢালা তুলে ফেলেন। গত দেড়মাস সময় ধরে পিচঢালা তুলে রাখলেও আর কোন কাজ করেননি ফলে ধুলোবালিতে পথচারীদের দুর্ভোগ হচ্ছে আবার পাথর কিংবা কয়লা বোঝাই ট্রাক এসেই প্রতিনিয়ত দেবে যাচ্ছে। এতে যান চলাচল ও যাত্রী সাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শ্রীমঙ্গল-শমশেরনগ ও কুলাউড়া বাস মিনিবাস চালক সমিতির ম্যানেজার জুলহাস আহমেদ, সিএনজি অটো চালক বিল্লাল মিয়া, মোটরসাইকেল আরোহী সঞ্জিত দাস বলেন, এভাবে প্রতিনিয়ত সড়কে মাল বোঝাই ট্রাকের চাকা দেবে যায়। যার ফলশ্রুতিতে যানজট নিত্য দিনের ভোগান্তিতে পরিনত হয়েছে। অন্যান্য যানবাহন কিছু সময় বন্ধ থাকে এবং পাশ দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও ঝুঁকি নিয়ে সে স্থান অতিক্রম করতে হয় স্তুপ করে রাখা মাটির জন্য। ঠিকাদার বা কর্তৃপক্ষের কারো মাথাব্যাথা নেই। এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে ঠিকাদার জামিল ইকবালের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের কয়েক দফা চেষ্টা করেও ফোনের কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। সড়ক ও জনপথ বিভাগের মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দীন বলেন, এই কাজটি চলমান আছে। দ্রুত সময়েই কাজ সম্পন্ন হবে। তবে বৃষ্টির কারণে হয়তো কিছুটা দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।